পঞ্চম শ্রেণী বাংলা অধ্যায় সতেরো ভাবুক ছেলেটি

ভাবুক ছেলেটি

পাঠ্যবই থেকে বহুনির্বাচনি প্রশ্ন

য়    সঠিক উত্তরটি খাতায় লেখ।

১.   বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু ছেলেবেলায় কেমন ছিলেন?

      ক   ডানপিটে  খ    শান্তশিষ্ট  

      গ   দুরন্ত ঘ    কৌতূহলশূন্য

২.   জগদীশচন্দ্রের গ্রামের নাম কী?          

      ক   মহেশখালী খ    আনন্দপুর 

      গ   রাঢ়িখাল   ঘ    কোটালিপাড়া

৩.   জগদীশচন্দ্র বসু নিচের কোন স্কুলের ছাত্র ছিলেন?

      ক   বিক্রমপুর জিলা স্কুল           

      খ    গোপালগঞ্জ জিলা স্কুল

      গ   ময়মনসিংহ জিলা স্কুল

      ঘ    ঢাকা জিলা স্কুল

৪.   জগদীশচন্দ্র বসু কলকাতায় কোন স্কুলে পড়াশোনা করেছেন?                

      ক   কলকাতা পাবলিক স্কুল              

      খ    চিলড্রেন’স ফাউন্ডেশন স্কুল

      গ   ন্যাশনাল মডেল স্কুল

      ঘ    সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল

৫.   জগদীশচন্দ্র বসু কোন তারিখে জন্মগ্রহণ করেন?    

      ক   ১৮৫৮ সালের ৩০এ নভেম্বর

      খ    ১৮৭৪ সালের ৩০এ নভেম্বর

      গ   ১৮৫৮ সালের ৩০এ ডিসেম্বর

      ঘ    ১৮৭৪ সালের ৩০এ ডিসেম্বর

৬.   জগদীশচন্দ্র বসুর পড়াশোনার হাতেখড়ি হয় কোথায়?

      ক   কলকাতায় খ    নিজ বাড়িতে   

      গ   বিলেতে   ঘ    প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

৭.   জগদীশচন্দ্র বসু কত সালে এফএ পাস করেন?

      ক   ১৮৭৪ সালে খ    ১৮৭৮ সালে

      গ   ১৮৮০ সালে    ঘ    ১৮৮৫ সালে

৮.   জগদীশচন্দ্র বসু বিলেতে কী পড়তে যান?      

      ক   আইন     খ    ব্যবসায় প্রশাসন 

      গ   প্রকৌশল  ঘ    ডাক্তারি

৯.   জগদীশচন্দ্র বসু কত সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়েছিলেন?                 

      ক   ১৮৮১ সালে খ    ১৮৮৫ সালে   

      গ   ১৯৮১ সালে ঘ    ১৯৮৫ সালে

১০.  জগদীশচন্দ্র বসু কত সালে দেশে ফিরে আসেন?

      ক   ১৮৭৮ সালে    খ    ১৮৮১ সালে

      গ   ১৮৮৩ সালে    ঘ    ১৮৮৫ সালে

১১.  ইংরেজ অধ্যাপকদের তুলনায় ভারতীয় অধ্যাপকদের বেতন ছিলÑ           

      ক   চার ভাগের এক ভাগ 

      খ    তিন ভাগের এক ভাগ

      গ   চার ভাগের তিনভাগ  

      ঘ    তিন ভাগের দুই ভাগ

১২.  জগদীশচন্দ্র বসু তিন বছর বেতন নেননি কেন?      

      ক   অর্থের প্রয়োজন ছিল না বলে

      খ    কলেজের উন্নয়নে দান করেছিলেন

      গ   বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে

      ঘ    ছাত্রছাত্রীদের ওপর অভিমান করে

১৩.  ‘নাইট’ উপাধি পাওয়ার পর জগদীশচন্দ্র বসুর নামের আগে কী যুক্ত হয়?                

      ক   স্যার খ    মাস্টার   

      গ   গ্রেট ঘ    নাইট

১৪.  বিজ্ঞানী অলিভার লজ ও লর্ড কেলভিন জগদীশচন্দ্রকে কোথায় অধ্যাপনা করার আমন্ত্রণ জানান?

      ক   ফ্রান্সে খ    বিলেতে   

      গ   আমেরিকায় ঘ    ভারতে

১৫.  জগদীশচন্দ্র বসুর কোন দিকটি বিজ্ঞানী অলিভার লজ ও লর্ড কেলভিনকে মুগ্ধ করে?      

      ক   সুন্দর আচার ব্যবহার 

      খ    নির্ভুল চিকিৎসা 

      গ   আকর্ষণীয় চেহারা

      ঘ    পাণ্ডিত্যপূর্ণ বক্তৃতা

১৬.  জগদীশচন্দ্র বসু কত সালে অতিক্ষুদ্র তরঙ্গসৃষ্টি আবিষ্কার করেন?            

      ক   ১৮৯০ সালে     খ    ১৮৯৫ সালে   

      গ   ১৮৯৯ সালে     ঘ    ১৯০৫ সালে

১৭.  কোন কাজে জগদীশচন্দ্রের দেশপ্রেমের পরিচয় পাওয়া যায়?                 

      ক   বিলেতে অধ্যাপনার আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যানে 

      খ    বিলেতে ডাক্তারি পড়তে যাওয়ায়  

      গ   নাইট উপাধি গ্রহণ করায়   

               ঘ  পরিবেশ-প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করায়

      ১৮)  কোন সত্যটি প্রমাণ করে জগদীশচন্দ্র বসু বেশি পরিচিতি লাভ করেন?

      ক   গাছের প্রাণ আছে

      খ    অতিক্ষুদ্র তরঙ্গ সৃষ্টি করে  

      গ   মহাকাশে যোগাযোগের ক্ষেত্রে

      ঘ    বেতার এবং টেলিভিশন আবিষ্কারের মাধ্যমে

      ১৯)  জগদীশচন্দ্র বসু কলকাতায় প্রেসিডেন্সি কলেজে কোন বিষয়ের অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন?

      ক   বাংলা খ    পদার্থবিজ্ঞান   

      গ   ইংরেজি   ঘ    গণিত

      ২০)  জগদীশচন্দ্র বসু কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

      ক   ময়মনসিংহ খ    ঢাকা

      গ   কুমিল্লা    ঘ    ফরিদপুর

      ২১)  ‘জগদীশচন্দ্র বসুর প্রত্যেকটি আবিষ্কার বিজ্ঞান জগতে এক একটি বিজয়স্তম্ভ’ কথাটি কে বলেছিলেন?

      ক   বিজ্ঞানী অলিভার লজ 

      খ    বিজ্ঞানী লর্ড কেলভিন

      গ   বিজ্ঞানী আইনস্টাইন

      ঘ    বিজ্ঞানী গ্যালিলিও

২২)  ‘প্রয়োগ’ শব্দের অর্থ কী?

      (ক)  দুর্নাম     (খ)  ব্যবহার

      (গ)  শিক্ষা (ঘ)  আহ্বান

২৩)  বিজ্ঞানী অলিভার লজ ও লর্ড কেলভিন জগদীশচন্দ্র বসুকে কোথায় অধ্যাপনার আমন্ত্রণ জানান?

      (ক)  ইংল্যান্ডে   (খ)  আমেরিকায়

      (গ)  জার্মানিতে      (ঘ)  ফ্রান্সে

২৪)  কোনটির কারণে আমরা টেলিভিশন দেখতে পারি?

      (ক) ক্রেস্কোগ্রাফ (খ)  রিজোনাস্ট রেকর্ডার

      (গ)  রাডার     (ঘ)  মাইক্রোওয়েভ

২৫) ‘গবেষণা’ শব্দের অর্থ কী?

      (ক)  আবিষ্কার   (খ)  অনুসন্ধান

      (গ)  শিক্ষা      (ঘ)  সফলতা

২৬) অনুচ্ছেদে কী প্রকাশিত হয়েছে?

      (ক)  জগদীশচন্দ্র বসুর ছেলেবেলার কথা

      (খ)  জগদীশচন্দ্র বসুর বিদ্যার্জনের কথা

      (গ)  জগদীশচন্দ্র বসুর বিশ্বভ্রমণের কথা

      (ঘ)  জগদীশচন্দ্র বসুর গবেষণা ও আবিষ্কারের কথা

২৭)  ‘গৌরব’ শব্দের অর্থ কী?

      (ক) সুনাম (খ)  বরণ

      (গ)  মর্যাদা (ঘ)  গ্রহণ

২৮) জগদীশচন্দ্র বসুর ‘নিরুদ্দেশের কাহিনী’ গ্রন্থটি কী ধরনের গ্রন্থ?

      (ক)  গল্পগ্রন্থ    (খ)  বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি

      (গ)  বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের কাহিনি

      (ঘ)  কাব্যগ্রন্থ

২৯)  স্যার জগদীশচন্দ্র বসু বিজ্ঞানমন্দির প্রতিষ্ঠা করেন কেন?

      (ক)  গবেষণা পরিচালনার জন্য

      (খ)  ধর্মচর্চার জন্য

      (গ)  ধর্মের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য

      (ঘ)  সাহিত্য চর্চার জন্য

৩০)  অনুচ্ছেদ অনুসারে বিজ্ঞানচর্চায় স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর সফলতা কার সমতুল্য ছিল?

      (ক)  আইনস্টাইনের   (খ)  নিউটনের

      (গ)  আর্কিমিডিসের   (ঘ)  ডারউইনের

৩১)  ‘চর্চা শব্দের অর্থ কী?

      (ক)  আবিষ্কার  (খ)  মর্যাদা

      (গ)  অভ্যাস    (ঘ)  আহ্বান

পাঠ্যবই থেকে বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তর

১.   খ    শান্তশিষ্ট  

২.   গ   রাঢ়িখাল  

৩.   গ   ময়মনসিংহ জিলা স্কুল  

৪.   ঘ    সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল

৫.   ক   ১৮৫৮ সালের ৩০এ নভেম্বর       

৬.   খ    নিজ বাড়িতে        

৭.   খ    ১৮৭৮ সালে   

৮.   ঘ    ডাক্তারি

৯.   ক   ১৮৮১ সালে

১০.  ঘ    ১৮৮৫ সালে

১১.  ঘ    তিন ভাগের দুই ভাগ

১২.  গ   বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে

১৩.  ক   স্যার

১৪.  খ    বিলেতে   

১৫.  ঘ    পাণ্ডিত্যপূর্ণ বক্তৃতা

১৬.  খ    ১৮৯৫ সালে   

১৭.  ক   বিলেতে অধ্যাপনার আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যানে 

      ১৮)  ক গাছের প্রাণ আছে

      ১৯)  খ পদার্থবিজ্ঞান

      ২০)  ক ময়মনসিংহ  

      ২১)  গ বিজ্ঞানী আইনস্টাইন

      ২২) (খ) ব্যবহার  

      ২৩) (ক) ইংল্যান্ডে;  

      ২৪) (ঘ) মাইক্রোওয়েভ 

      ২৫) (খ) অনুসন্ধান 

      ২৬) (ঘ) জগদীশচন্দ্র বসুর গবেষণা ও আবিষ্কারের কথা

       ২৭) (গ) মর্যাদা

      ২৮) (খ) বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি

      ২৯) (ক) গবেষণা পরিচালনার জন্য

      ৩০) (খ) নিউটনের

      ৩১) (গ) অভ্যাস

 পাঠ্যবই থেকে প্রশ্নের উত্তর লিখন

য়    নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।

১)   ভাবুক ছেলেটি আসলে কে ছিল?

      উত্তর : ভাবুক ছেলেটি আসলে ছিল বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার জগদীশচন্দ্র বসু।

২)   সে ছোট বেলায় কী কী নিয়ে ভাবত?

      উত্তর : জগদীশচন্দ্র বসু ছোটবেলায় গাছগাছালি নিয়ে গভীরভাবে ভাবত। গাছ ভেঙে গেলে বা তাদের কেটে ফেললে তারা ব্যথা পায় কি না এ প্রশ্ন ছিল ছেলেটির মনে। এছাড়া রোদ-বৃষ্টি, বাজ পড়ার কারণ ইত্যাদি বিষয় নিয়েও তার ভাবনা ছিল।

৩)   সে কবে, কোথা থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল?

      উত্তর : জগদীশচন্দ্র বসু কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল থেকে কৃতিত্বের সাথে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল।

৪)   কখন থেকে তিনি ‘বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু’ হয়ে ওঠেন?

      উত্তর : লন্ডন থেকে বিএসসি পাস করে জগদীশচন্দ্র বসু কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। এখানে বৈষম্য ও প্রাপ্য বেতন না দেওয়ার প্রতিবাদে দীর্ঘ তিন বছর তিনি বেতন না নিয়েই কর্তব্য পালন করেন। শেষ পর্যন্ত ইংরেজ সরকার তাঁকে স্বীকৃতি দিয়ে চাকরিতে স্থায়ী করে ও তাঁর সকল বকেয়া পরিশোধ করে। তখন থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন ‘বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু’।

৫)   কোন সত্য প্রমাণ করে তিনি বেশি পরিচিতি লাভ করেন?

      উত্তর : জগদীশচন্দ্র বসু সবচেয়ে বেশি পরিচিতি লাভ করেন ‘গাছেরও প্রাণ আছে’- এই সত্য প্রমাণ করে।

৬)   তাঁর বক্তৃতার সফলতা সবচেয়ে বেশি ছিল কোন বিষয়ে?

      উত্তর : প্রশ্নটি অধ্যায়-বহির্ভূত।

৭)   বিজ্ঞান শিক্ষা ও  চর্চার ক্ষেত্রে তাঁর সফলতাকে কোন নামকরা বৈজ্ঞানিকদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?

      উত্তর : বিজ্ঞান শিক্ষা ও চর্চার ক্ষেত্রে স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর সফলতাকে বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক গ্যালিলিও ও নিউটনের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।

৮)   ‘পলাতক তুফান’ নামে লেখাটির আগে কী নাম ছিল? তাঁর কোন বইয়ে এটি ছাপা হয়?

      উত্তর : ‘পলাতক তুফান’ নামে লেখাটির আগের নাম ছিল ‘নিরুদ্দেশ কাহিনী’। লেখাটি স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর ‘অব্যক্ত’ নামক বইয়ে ছাপা হয়।

৯)   অধ্যাপনা থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি কী প্রতিষ্ঠা করেন?

      উত্তর : অধ্যাপনা থেকে অবসর গ্রহণের দুই বছর পর তিনি ‘জগদীশচন্দ্র বসু বিজ্ঞানমন্দির’ প্রতিষ্ঠা করেন।

১০)  ‘তাঁর প্রত্যেকটি আবিষ্কার বিজ্ঞান জগতে এক একটি বিজয়স্তম্ভ।’Ñ এমন কথা কোন বিখ্যাত ব্যক্তি বলেছিলেন? কেন বলেছিলেন?

      উত্তর : ‘তাঁর প্রত্যেকটি আবিষ্কার বিজ্ঞানজগতে এক একটি বিজয়স্তম্ভ’- জগদীশচন্দ্র বসু সম্বন্ধে এ কথা বলেছিলেন সুবিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন।

      স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর আবিষ্কারের কারণে আজকের বেতার, টেলিভিশন, রাডারসহ বিশ্বের অধিকাংশ তথ্য আদান প্রদান হয়। তাঁর আবিষ্কার সভ্যতার যুগান্তকারী পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হয়। তাই তাঁর আবিষ্কারে মুগ্ধ হয়ে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন উক্ত কথা বলেছেন।

১১)  জগদীশচন্দ্র বসুকে কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় ডিএসসি ডিগ্রি প্রদান করে?

উত্তর : জগদীশচন্দ্র বসুকে ঢাকা ও লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় ডিএসসি ডিগ্রি প্রদান করে।

১২)  বর্তমানে কোন কোন ক্ষেত্রে অতিক্ষুদ্র তরঙ্গের প্রয়োগ হচ্ছে?

উত্তর : বর্তমানে বেতার, টেলিভিশন, রাডারসহ বিশ্বের অধিকাংশ তথ্য আদান-প্রদান এবং মহাকাশ যোগাযোগের ক্ষেত্রে অতিক্ষুদ্র তরঙ্গের প্রয়োগ হচ্ছে।

১৩)  জগদীশচন্দ্র বসু কবে, কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?

উত্তর : জগদীশচন্দ্র বসু ১৯৩৭ সালের ২৩এ নভেম্বর গিরিডিতে মৃত্যুবরণ করেন।

১৪)  ‘বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি’ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর : বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি বলতে বোঝায় এমন কাহিনি, যা বিজ্ঞানকে প্রধান করে কল্পনার সাহায্য নিয়ে লেখা হয়।

১৫)  ‘নাইট’ উপাধি কী?

উত্তর : ‘নাইট’ উপাধি হলো আগের যুগে ব্রিটিশরাজের অত্যন্ত সম্মানসূচক উপাধি। এই উপাধিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করতে হতো।

১৬)  জগদীশচন্দ্র বসুর বাবার বাড়ি কোথায়?

উত্তর : জগদীশচন্দ্র বসুর বাবার বাড়ি বিক্রমপুরের রাঢ়িখাল গ্রামে।

১৭)  জগদীশচন্দ্র বসু কোন শাখায় বিএস পাস করেন?

উত্তর : জগদীশচন্দ্র বসু বিজ্ঞান শাখায় বিএস পাস করেন।

১৮)  জগদীশচন্দ্র বসু দীর্ঘ তিন বছর বেতন না নিয়ে কর্তব্য পালন করেন কেন?

      উত্তর : জগদীশচন্দ্র বসু কলকাতায় প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যাপনার কাজে নিযুক্ত হয়েছিলেন। তখন দেশ ছিল পরাধীন। এ সময় একই পদে একজন ইংরেজ অধ্যাপক যে বেতন পেতেন ভারতীয়রা পেতেন তার তিন ভাগের দুই ভাগ। জগদীশচন্দ্র বসু অস্থায়ীভাবে চাকরি করছিলেন বলে তাঁর বেতনের আরও এক ভাগ কেটে রাখা হতো। এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েই দীর্ঘ তিন বছর বেতন না নিয়ে কর্তব্য পালন করেন তিনি।

১৯)  জগদীশচন্দ্র বসু বিলেতে অধ্যাপনার আমন্ত্রণ পেয়েও সেখানে থাকলেন না কেন?

      উত্তর : জগদীশচন্দ্র বসু ছিলেন একজন সত্যিকার দেশপ্রেমিক। তাই বিলেতে অধ্যাপনার আমন্ত্রণ পেলেও তাতে তিনি সাড়া দিলেন না। দেশের কল্যাণের জন্য নিজ দেশে ফিরে এলেন।

২০)  জগদীশচন্দ্র বসু কত সালে অধ্যাপনা থেকে অবসর গ্রহণ করেন?

      উত্তর : জগদীশচন্দ্র বসু ১৯১৬ সালে অধ্যাপনা থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

২১)  কত সালে জগদীশচন্দ্র দেশে ফিরে আসেন?

      উত্তর : ১৮৮৫ সালে জগদীশচন্দ্র দেশে ফিরে আসেন।

২২)  শেষ পর্যন্ত ইংরেজ সরকার তাঁকে কী করেছিলেন?

      উত্তর : শেষ পর্যন্ত ইংরেজ সরকার জগদীশচন্দ্রকে স্বীকৃতি দেন। এরপর সকল বকেয়া পরিশোধ করে চাকরিতে স্থায়ী করেন।

২৩)  স্যার জগদীশচন্দ্র বসুকে কারা নাইট উপাধি দেয়?

      উত্তর : স্যার জগদীশচন্দ্র বসুকে ব্রিটিশ-ভারত সরকার নাইট উপাধি দেয়।

২৪)  জগদীশচন্দ্র বসুর কর্মজীবন সম্পর্কে দুইটি বাক্য  লেখ।  

      উত্তর : জগদীশচন্দ্র বসু অধ্যাপনা করতেন। তিনি অবসর গ্রহণের পর বিজ্ঞানমন্দিরে গবেষণা পরিচালনা করতেন।

২৫) কিসের মাধ্যমে জগদীশচন্দ্র বসু সবচেয়ে বেশি পরিচিতি লাভ করেন?

            উত্তর : জগদীশচন্দ্র বসু সবচেয়ে বেশি পরিচিতি লাভ করেন ‘গাছেরও প্রাণ আছে’- এই সত্য প্রমাণ করে।

২৬) ১৮৯৫ সালে জগদীশচন্দ্র বসু কোন ব্যাপারে সাফল্য লাভ করেন?

            উত্তর : ১৮৯৫ সালে জগদীশচন্দ্র বসু অতিক্ষুদ্র তরঙ্গসৃষ্টি আবিষ্কার করেন। তারের সাহায্য ছাড়াই তরঙ্গ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে প্রেরণে সাফল্য লাভ করেন।

২৭)  বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক অলিভার লজ ও লর্ড কেলভিন জগদীশচন্দ্র বসুকে কিসের আমন্ত্রণ জানান? তাঁদের আমন্ত্রণে তিনি সাড়া দেননি কেন?

      উত্তর : জগদীশচন্দ্র বসুর পাণ্ডিত্যপূর্ণ বক্তৃতা শুনে চমৎকৃত হন বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক অলিভার লজ ও লর্ড কেলভিন। তাঁরা জগদীশচন্দ্র বসুকে বিলেতে অধ্যাপনার আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু দেশের কল্যাণের কথা ভেবে তিনি তাঁদের আমন্ত্রণে সাড়া দেননি।

২৮) নাইট উপাধি পাওয়ার পর জগদীশচন্দ্র বসুর নামের আগে যুক্ত হয়?

            উত্তর : নাইট উপাধি পাওয়ার পর জগদীশচন্দ্র বসুর নামের আগে ‘স্যার’ উপাধি যুক্ত হয়। 

২৯)  বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি বলতে কী বোঝ?

            উত্তর : বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি বলতে বিজ্ঞানভিত্তিক কল্পনা প্রধান লেখাকে বোঝায়। এতে বিজ্ঞানকে আশ্রয় করে লেখা হলেও এর বাস্তব কোনো ভিত্তি থাকে না।

৩০) জগদীশচন্দ্র বসু আমাদের গৌরব কেন?

      উত্তর : মহান বাঙালি বিজ্ঞানী। জগদীশচন্দ্র বসু তাঁর কাজের মাধ্যমে সারা পৃথিবীকে আলোর পথ দেখিয়েছেন। বিজ্ঞান গবেষণায় তাঁর কৃতিত্ব বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানীদের সাথে তুলনীয়। তাই জগদীশচন্দ্র বসু আমাদের গৌরব।

পাঠ্যবই থেকে মূলভাব লিখন

য়    অনুচ্ছেদটির মূলভাব লেখ।

উত্তর : জগদীশচন্দ্র বসু বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করে বিখ্যাত হয়েছেন। অল্প সময়েই তাঁর বিভিন্ন ক্ষেত্রে আবিষ্কারের সফলতা দেখে চমকে যান ইউরোপের বিজ্ঞানীরা। বিলেতে অধ্যাপনার আমন্ত্রণ পেলেও দেশের কল্যাণে কাজ করার সংকল্পে সে আমন্ত্রণে সাড়া দেননি তিনি।

য়    অনুচ্ছেদটির মূলভাব লেখ।

উত্তর : স্যার জগদীশচন্দ্র বসু বিজ্ঞানী হিসেবে সমগ্র ভারতবর্ষের গর্ব। তিনি তাঁর বিজ্ঞান গবেষণার জন্য সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছেন। পেয়েছেন ‘নাইট’ উপাধি। তিনি শিশুদের জন্যও বিজ্ঞানভিত্তিক বই রচনা করেছেন। বিজ্ঞানক্ষেত্রে তাঁর সফলতা বিশ্বের বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের সমতুল্য।

পাঠ্যবই বহির্ভূত যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন

নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।

ব্রজেন দাস একজন স্বনামধন্য বাংলাদেশি সাঁতারু। তিনিই প্রথম দক্ষিণ এশীয় ব্যক্তি যিনি সাঁতার কেটে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মাঝে অবস্থিত ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন। ১৯৫৮ সালের ১৮ই আগস্ট তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। ১৯৫৮ সালে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমের সাঁতার প্রতিযোগিতায় মোট ২৩টি দেশ অংশ নেয়। পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে তাতে অংশ নেন ব্রজেন দাস। ১৮ই আগস্ট প্রায় মধ্যরাতে ফ্রান্সের তীর থেকে প্রতিযোগিতার সূচনা হয়। প্রচণ্ড প্রতিকূল পরিবেশে সাঁতার কেটে তিনি পরদিন বিকেলবেলা প্রথম সাঁতারু হিসেবে ইংল্যান্ড তীরে এসে পৌঁছান। পরের মাসেই তিনি ইংলিশ চ্যানেলকে ইংল্যান্ড থেকে ফ্রান্সে সাঁতার কেটে পার করেন। ১৯৬১ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি ফ্রান্স থেকে ইংল্যান্ডের মাঝে চ্যানলটিকে সবচেয়ে কম সময়ে মাত্র ১০ ঘণ্টা ৩০ মিনিটে পার হয়ে তখনকার সময়ে বিশ্বরেকর্ড করেন। ব্রজেন দাস ১৯৫৮, ১৯৫৯, ১৯৬০ ও ১৯৬১ সালে মোট ছয়বার এই চ্যানেলটি পাড়ি দেন। অনন্য কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৬০ সালে পাকিস্তান সরকারের কাছ থেকে ‘প্রাইড অফ পারফরম্যান্স’ পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭৬ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ থেকে লাভ করেন জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার। বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ১৯৯৯ সালে মরণোত্তর স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে ভূষিত করে।

য়    সঠিক উত্তরটি উত্তরপত্রে লেখ।

১)   ব্রজেন দাস কত সালে ইংলিশ চ্যানেল সবচেয়ে কম সময়ে পাড়ি দেন?

      (ক)  ১৯৫৮ সালে     (খ)  ১৯৫৯ সালে

      (গ)  ১৯৬০ সালে     (ঘ)  ১৯৬১ সালে

২)   ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার ক্ষেত্রে পুরোটা সময় ব্রজেন দাসকে কী করতে হয়েছে?

      (ক)  নৌকা চালাতে হয়েছে

      (খ)  সাঁতার কাটতে হয়েছে

      (গ)  জাহাজে থাকতে হয়েছে

      (ঘ)  প্যারাসুটে থাকতে হয়েছে

৩)   ব্রজেন দাস সম্পর্কে কোনটি বলা যায়?

      (ক)  বিশিষ্ট দৌড়বিদ  (খ)  একুশে পদকপ্রাপ্ত

      (গ)  বাঙালির গর্ব     (ঘ)  কৃতী ছাত্র

৪)   ব্রজেন দাস মোট কয়বার ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন?

      (ক)  ৪ বার     (খ)  ৬ বার

      (গ)  ৮ বার    (ঘ)  ১০ বার

৫)   ব্রজেন দাসের মতো সাফল্য পেতে হলে কী প্রয়োজন?

      (ক)  দেশ ভ্রমণ (খ)  বিশেষ পরিচিতি

      (গ)  পরিকল্পনা ও অধ্যবসায়

      (ঘ)  প্রচুর টাকা

      উত্তর : ১) (ঘ) ১৯৬১ সালে;   ২) (খ) সাঁতার কাটতে হয়েছে;  ৩) (গ) বাঙালির গর্ব; ৪) (খ) ৬ বার;              ৫) (গ) পরিকল্পনা ও অধ্যবসায়।

য়    নিচে কয়েকটি শব্দ ও শব্দার্থ দেওয়া হলো। উপযুক্ত শব্দটি দিয়ে নিচের বাক্যগুলোর শূন্যস্থান পূরণ কর।

শব্দ  অর্থ

সূচনা     শুরু।

ভূষিত অলংকৃত, সজ্জিত।

মরণোত্তর  মৃত্যু-পরবর্তী।

কৃতিত্ব    কার্যদক্ষতা।

স্বনামধন্য  নিজ নামে সর্বত্র পরিচিত বা প্রশংসিত।

অতিক্রম  পার হওয়া, ছাড়িয়ে যাওয়া।

ক)  সন্তানের  দেখে বাবা-মা খুশি হন।

খ)   সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ‘ছন্দের জাদুকর’ উপাধিতে  হয়েছেন।

গ)   রহমান সাহেব আমাদের এলাকার একজন  ব্যক্তি।

ঘ)   আমরা ফেরিতে চড়ে নদীটি  করলাম।

ঙ)   প্রধান শিক্ষক এলে অনুষ্ঠানটির  হলো।

      উত্তর : ক) কৃতিত্ব;   খ) ভূষিত;   গ) স্বনামধন্য;   ঘ) অতিক্রম;   ঙ) সূচনা।

য়    নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।

ক)  ইংলিশ চ্যানেল কোথায় অবস্থিত? ব্রজেন দাস সম্পর্কে তিনটি বাক্য লেখ।

            উত্তর : ইংলিশ চ্যানেল ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মাঝে অবস্থিত।

            ব্রজেন দাস সম্পর্কে তিনটি বাক্য :

১)   ব্রজেন দাস ছিলেন স্বনামধন্য বাংলাদেশি সাঁতারু।

২)   দক্ষিণ এশীয়দের মধ্যে তিনিই প্রথম ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

৩)   ব্রজেন দাস মোট ছয়বার ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন।

খ)   ব্রজেন দাস যে যে পুরস্কার লাভ করেছেন তা তিনটি বাক্যে লেখ। তিনি প্রথম কত সালে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন?

            উত্তর :

            ১)   ব্রজেন দাসের কৃতিত্বের জন্য তৎকালীন পাকিস্তান সরকার ১৯৬০ সালে তাঁকে ‘প্রাইড অফ পারফরম্যান্স’ পুরস্কার প্রদান করে।

            ২)   ১৯৭৬ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তাঁকে প্রদান করে ‘জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার’।

            ৩)   ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সরকার  তাঁকে মরণোত্তর স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে সম্মানিত করে।

            ব্রজেন দাস ১৯৫৮ সালে প্রথম ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।

গ)   ব্রজেন দাসের মতো সাফল্য পেতে তুমি কী করবে? পাঁচটি বাক্যে লেখ।

            উত্তর : ব্রজেন দাসের মতো সাফল্য পেতে আমি যা করবÑ

১)   প্রথমে যেকোনো একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করব।

২)   আমার পছন্দের কাজটিতে সফল হওয়া ব্যক্তিদের জীবনী পাঠ করব।

৩)   সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করব।

৪)   পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মা-বাবা ও শিক্ষকের সহায়তা নেব।

৫)   নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছতে কঠোর সাধনা করব।

ঘ)   প্রথম এশীয় ব্যক্তি হিসেবে কে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছিলেন? ১৯৬১ সালে ব্রজেন দাস যে কৃতিত্ব অর্জন করেন তা তিনটি বাক্যে লেখ।

উত্তর : প্রথম এশীয় ব্যক্তি হিসেবে ব্রজেন দাস ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছিলেন।

১৯৬১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ব্রজেন দাস মাত্র ১০ ঘণ্টা ৩০ মিনিটে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন। এটি ছিল তাঁর দ্রুততম সময়ে চ্যানেলটি অতিক্রমের ঘটনা। সেই সাথে এটি তখনকার সময়ের বিশ্বরেকর্ড হিসেবে গণ্য হয়।

যুক্তবর্ণ বিভাজন ও বাক্যে প্রয়োগ

য়    নিচের যুক্তবর্ণগুলো কোন কোন বর্ণ নিয়ে তৈরি ভেঙে দেখাও এবং প্রতিটি যুক্তবর্ণ দিয়ে একটি করে শব্দ গঠন করে বাক্যে প্রয়োগ দেখাও।

      স্ম, ক্র, জ্ঞ, ক্ষ, ত্র, ধ্য।

      উত্তর :

স্ম   =    স + ম                  আকস্মিক

      –     আকস্মিক বৃষ্টিতে ভিজে গেলাম।

ক্র   =    ক + র-ফলা (  ্র )      আক্রমণ  

      –     মুক্তিযোদ্ধারা শত্রু ক্যাম্প আক্রমণ করল।

জ্ঞ   =    জ + ঞ       অজ্ঞান

      Ñ     লোকটি অজ্ঞান হয়ে পড়েছে।

ক্ষ   =    ক + ষ        অক্ষর

      Ñ     ছেলেটি বাংলা অক্ষর লিখছে।

ত্র   =    ত + র-ফলা (  ্র )      পুত্র

      Ñ     চাচা তাঁর পুত্রকে ডাকলেন।

ধ্য   =    ধ + য-ফলা (  ্য )      বাধ্য

      Ñ     ববি বাড়ি যেতে বাধ্য হলো।

য়    নিচের যুক্তবর্ণগুলো কোন কোন বর্ণ নিয়ে তৈরি ভেঙে দেখাও এবং প্রতিটি যুক্তবর্ণ দিয়ে একটি করে শব্দ গঠন করে বাক্যে প্রয়োগ দেখাও।

      ঙ্গ, স্ব, স্থ, ম্ভ, ল্প।

      উত্তর :

      ঙ্গ   =    ঙ + গ                 জঙ্গল

      –     জঙ্গলে বড় বড় গাছ থাকে।

স্ব    =    স + ব-ফলা     (  ¦ )           স্বাক্ষর

      –     লোকটি কাগজে স্বাক্ষর করল।

স্থ   =    স + থ                  দুস্থ 

      –     আমরা দুস্থ শিশুদের সাহায্য করব।

ম্ভ   =    ম + ভ                 সম্ভব

      –     চেষ্টা করলে সবই সম্ভব।

ল্প   =    ল + প                  গল্প 

      –     পড়ার সময় গল্প করা উচিত নয়।

বিরামচিহ্ন বসিয়ে অনুচ্ছেদ পুনঃলিখন

য়    সঠিক স্থানে বিরামচিহ্ন বসিয়ে অনুচ্ছেদটি আবার লেখ।

      আকাশে মেঘ ডাকে বিদ্যুৎ চমকায় বাজ পড়ে কেন এমন হয় অবাক বিস্ময়ে ভাবে সে

উত্তর : আকাশে মেঘ ডাকে। বিদ্যুৎ চমকায়। বাজ পড়ে। কেন এমন হয়? অবাক বিস্ময়ে ভাবে সে।

এককথায় প্রকাশ/ক্রিয়াপদের চলিতরূপ লিখন

য়    এককথায় প্রকাশ কর।

      ক) অধ্যাপনা করেন যিনি; খ) বিশেষ খ্যাতি আছে যার;

গ) কোনো কিছু খেয়াল করে দেখা; ঘ) জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাপূর্ণ; ঙ) মূল্য আছে যার।

      উত্তর : ক) অধ্যাপক;  খ) বিখ্যাত;  গ) পর্যবেক্ষণ; 

ঘ) পাণ্ডিত্যপূর্ণ;  ঙ) মূল্যবান।

য়    ক্রিয়াপদের চলিত রূপ লেখ।

      ভাঙিয়া, পড়িতে, চমকাইয়া, জানাইলেন, করিয়াছেন।

      উত্তর :    সাধু রূপ        চলিত রূপ

      ভাঙিয়া        ভেঙে

      পড়িতে        পড়তে

      চমকাইয়া      চমকে

      জানাইলেন     জানালেন

      করিয়াছেন     করেছেন

বিপরীত/সমার্থক শব্দ লিখন

য়    নিচের শব্দগুলোর বিপরীত শব্দ লেখ।

      দুরন্ত, আগ্রহ, স্থায়ী, কল্যাণ, সফল।

      উত্তর :

      মূল শব্দ        বিপরীত শব্দ

      দুরন্ত Ñ     শান্ত

      আগ্রহ     Ñ     অনাগ্রহ

      স্থায়ী Ñ     অস্থায়ী

      কল্যাণ    Ñ     অকল্যাণ

      সফল Ñ     ব্যর্থ

য়নিচের শব্দগুলোর সমার্থক শব্দ লেখ।

      বৃষ্টি, গাছ, দুরন্ত, সকল, আমন্ত্রণ, মৃত্যু।

      উত্তর :    মূল শব্দ        সমার্থক শব্দ

      বৃষ্টি      বরিষণ, বারিধারা।

      গাছ      উদ্ভিদ, তরু।

      দুরন্ত     অশান্ত, চঞ্চল।

      সফল     সার্থক, কৃতকার্য।

      আমন্ত্রণ       নিমন্ত্রণ, দাওয়াত।

      মৃত্যু     জীবনাবসান, মরণ।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published.