৯ম-১০ম শ্রেণী বাংলা ১ম পত্র পদ্যঃ সেইদিন এই মাঠ

সেইদিন এই মাঠ

লেখক পরচিতি

নামঃ      জীবনানন্দ দাশ

জন্ম পরচিয়     জন্ম তারখি     :    ১৮৯৯ সালরে ১৭ই ফব্রেুয়ার।ি

জন্মস্থান   :    বরশিাল।

পতিৃ-মাতৃ পরচিয় পতিার নাম :    সত্যানন্দ দাশ।

মাতার নাম :    কুসুমকুমারী দাশ।

শক্ষিাজীবন ১৯১৫ খ্রষ্টিাব্দে বরশিাল ব্রজমোহন স্কুল থকেে প্রথম বভিাগে ম্যাট্রকি, ১৯১৭ খ্রষ্টিাব্দে ব্রজমোহন কলজে থকেে প্রথম বভিাগে আই.এ, ১৯১৯ খ্রষ্টিাব্দে কলকাতা প্রসেডিন্সেি কলজে থকেে ইংরজেতিে ব.িএ. অর্নাস এবং ১৯২১ খ্রষ্টিাব্দে কলকাতা বশ্বিবদ্যিালয় থকেে ইংরজেতিে এম.এ পাস করনে।

র্কমজীবন  অধ্যাপনা ।

সাহত্যিকি বশৈষ্ট্যি প্রধানত আধুনকি জীবনচতেনার কবি হসিবেে পরচিতি। বাংলার প্রাকৃতকি রূপবচৈত্র্যিে ছলিনে নমিগ্নচত্তি।

উল্লখেযোগ্য রচনা কাব্যগ্রন্থ : ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলপি,ি বনলতা সনে, মহাপৃথবিী, সাতটি তারার তমিরি, রূপসী বাংলা, বলো অবলো, কালবলো।

উপন্যাস : মাল্যবান, সর্তীথ।

মৃত্যু ১৯৫৪ সালরে ২২শে অক্টোবর।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

১.    বভিূতভিূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর কথাসাহত্যিে প্রকৃতকিে একটি জীবন্ত চরত্রি হসিবেে সৃষ্টি করছেনে। বশিষে করে ‘পথরে পাঁচালী’ ও ‘আরণ্যক’ উপন্যাসে প্রকৃতি চরিকালরে নবীনরূপে আবর্ভিূত হয়ছে।ে অপু, র্দুগা এবং আরও অনকেে সইে চরিকালরে প্রকৃতরি সন্তান। এরা যায় আসÑেথাকে না। কন্তিু প্রকৃতি চরিকালই নানা রূপ-েরস-েগন্ধ-ের্বণ-েবরিাজমান থাক।ে

ক.   কী ছাই হয়ে গছে?ে  ১

খ.   ‘পৃথবিীর এইসব গল্প বঁেচে রবে চরিকাল’ বলতে কবি কী বুঝয়িছেনে? ২

গ.   উদ্দীপকরে প্রকৃতি জানার সঙ্গে ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার সাদৃশ্যর্পূণ দকি ব্যাখ্যা করো।    ৩

ঘ.   কবতিায় উল−িখতি সভ্যতার বর্বিতনরে সঙ্গে প্রকৃতরি সর্ম্পক উদ্দীপকরে আলোকে বশি−েষণ করো।  ৪

১ নং প্র. উ.

ক.  এশরিীয় ও ববেলিনীয় সভ্যতা ছাই হয়ে গছে।ে

খ.   ‘পৃথবিীর এই সব গল্প বঁেচে থাকবে চরিকাল’ বলতে কবি বুঝয়িছেনে প্রকৃতরি বহমানতা চরিকাল বঁেচে থাকবে ।

     পৃথবিীর প্রবহমানতা চরিন্তন। ব্যক্তমিানুষ একসময় পৃথবিী ছড়েে চলে যায়। কন্তিু চালতাফুল আগরে মতোই ভজিে শশিরিরে জল,ে লক্ষ্মীপঁেচা গান গায়। খয়ো নৌকার যাতায়াত, পৃথবিীর কলরব সবই চলতে থাকে প্রকৃতরি নয়িম।ে তাই কবি বলছেনে, ‘পৃথবিীর এইসব গল্প বঁেচে রবে চরিকাল’। র্অথাৎ পৃথবিীর এই বহমানতা কালক্রমে চলতইে থাক।ে

গ.   ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার সাথে উদ্দীপকে উল্লখিতি প্রকৃতরি প্রবহমানতার দকিটি সাদৃশ্যর্পূণ।

     ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় বলা হয়ছে,ে প্রকৃতরি চলমানতা অবনিশ্বর। মানুষ এক সময় পৃথবিী ছাড়তে বাধ্য হয়। কন্তিু প্রকৃততিে থাকে চরিকালরে ব্যস্ততা। মাঠে ঘাটে চঞ্চলতা, চালতা ফুলে পড়ে শীতরে শশিরি, লক্ষ্মীপঁেচার ডাক, খয়ো নৌকার ছুটে চলা থমেে যায় না। কোথাও থাকে না ব্যক্তমিানুষরে মৃত্যুর রশে। সত্য হয়ে ওঠে কবেল পৃথবিীর বহমানতা।

     উদ্দীপকরে অপু, র্দুগাসহ আরো অনকেে প্রকৃতরি লালতি সন্তান। প্রকৃতরি স্বাভাবকি নয়িমে এরা প্রকৃতি থকেে হারয়িে যায়। কন্তিু প্রকৃতি চরিকালই নানা রূপ-েরস-েগন্ধ-ের্বণে বরিাজমান থাক।ে সুন্দর নর্মিল প্রকৃতি প্রাণবন্ত থাক।ে তাই উদ্দীপক ও ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিা র্পযালোচনা করলে আমরা প্রকৃতরি বহমানতার সাদৃশ্য খুঁজে পাই।

ঘ.   প্রকৃতরি সাথে মানুষরে অস্থায়ী সর্ম্পকরে মাধ্যমে সভ্যতার বর্বিতন ঘটছে।ে এই ধারণা ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় যমেন রয়ছে,ে তমেনি রয়ছেে উদ্দীপক।ে

     ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার কবি জীবনানন্দ দাশ তুলে ধরছেনে প্রকৃতরি অবনিশ্বরতার কথা। মানুষ প্রকৃতরিই সন্তান। প্রকৃতরি সাথে একাত্ম হয়ে সে গড়ে তোলে নতুন সভ্যতা। মানুষ একসময় মারা যায়। তাদরে নর্মিতি সভ্যতাও ধ্বংস হয়ে যায়। কন্তিু প্রকৃতি থাকে অটল, অবচিল।

     আলোচ্য উদ্দীপকে প্রকৃতকিে জীবন্ত চরত্রি হসিবেে উল্লখে করা হয়ছে।ে কারণ প্রকৃতরি মাঝে একটা গতমিয়তা বদ্যিমান। ফুল ফোটে ঝরে আবার ফোট।ে অপু, র্দুগাসহ অনকেইে প্রকৃতরি সন্তান হসিবেে জন্ম নয়ে। আবার তারা চলওে যায়। আরকে প্রজন্ম এসে তাদরে স্থান দখল কর।ে প্রকৃততিে যনে ভাঙা-গড়ার খলো চলতে থাক।ে মানুষ মরে যায় কন্তিু প্রকৃতি তার স্বরূপে বরিাজমান থাক।ে সকল ভাঙা-গড়া, জন্ম-মৃত্যু সবকছিুকইে প্রকৃতি ধারণ কর।ে

     সভ্যতার বর্বিতনরে সাথে তাই প্রকৃতরি সর্ম্পক বদ্যিমান। সকল পরর্বিতন বর্বিতনরে মধ্যওে প্রকৃতি তার সৌর্ন্দযকে ধরে রাখ।ে মানুষরে গড়া বভিন্নি সভ্যতার নর্দিশনও যনে প্রকৃতরি উপাদান হয়ে ওঠ।ে মানুষরে জীবন নতুন নতুন সভ্যতার  উন্মষে ঘটায়। সগেুলোও এ সময় ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। তবু প্রকৃতি থাকে নর্বিকিার। আলোচ্য কবতিা ও উদ্দীপক আমাদরে সে ইঙ্গতিই দয়ে।

২.   রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘রাজপথরে কথা’ গল্পে বলছেনে, কী প্রখর রৌদ্র। উহু-হু-হু। এক-একবার নশ্বিাস ফলেতিছে,ি আর তপ্ত ধুলা সুনীল আকাশ ধূসর করয়িা উড়য়িা যাইতছে।ে ধনী দরদ্রি, সুখী দুঃখী, জরা যৌবন, হাসি কান্না, জন্ম মৃত্যু, সমস্তই আমার উপর দয়িা একই নশ্বিাসে ধূলরি স্রোতরে মতো উড়য়িা চলয়িাছ।ে আমি কছিুই পড়য়িা থাকতিে দইে না-হাসওি না কান্নাও না। আমইি কবেল পড়য়িা আছ।ি

ক.   চালতাফুল কসিরে জলে ভজিব?ে ১

খ.   এই নদী নক্ষত্ররে তলে সদেনিো দখেবিে স্বপ্নÑ কনে?      ২

গ.   উদ্দীপকটতিে ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার কোন বশিষে দকিটি ফুটে উঠছেে ব্যাখ্যা করো।    ৩

ঘ.   উদ্দীপকটি ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার মূলভাবরে র্পূণরূপ-বশ্লিষেণ করো।    ৪

২ নং প্র. উ.

ক.   চালতাফুল শশিরিরে জলে ভজিব।ে

খ.   প্রকৃতরি রূপ-ঐর্শ্বয চরি বহমান বলে ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় কবি উপরউিক্ত কথাটি বলছেনে।

     প্রকৃতরি রহস্যময় সৌর্ন্দয জীবনানন্দ দাশরে কবতিার প্রাণ। কবরি চোখে নদী যনে নক্ষত্রখচতি আকাশরে নচিে বসে বসে স্বপ্ন দখে।ে আর এই স্বপ্ন দখোর কোনো শষে নইে। কনেনা প্রকৃতি তার আপন রূপ-রস-গন্ধ নয়িে চরিকাল প্রাণময় হয়ে থাকব।ে

গ.   ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় উল্লখিতি প্রকৃতরি বহমানতার দকিটি উদ্দীপকে ফুটে উঠছে।ে

     কবি জীবনানন্দ দাশ তাঁর ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় জীবনরে এক চরিন্তন সত্যকে তুলে ধরছেনে। আবহমানকাল ধরে প্রকৃততিে চলছে ব্যস্ততা। মাঠে থাকে চঞ্চলতা, নদী-নালাতে চলে নৌকা, শীতরে শশিরি পড়ে চালতা ফুলÑে এভাবে প্রকৃতরি সবকছিুই রয়ছেে চলমান। পৃথবিীতে মানুষ মরে যায়, নতুন মানুষরে আগমন ঘট।ে কন্তিু প্রকৃতি থমেে থাকে না। মানুষরে মৃত্যুতে প্রকৃতরি বহমানতা কখনও থমকে যায় না।

     আলোচ্য উদ্দীপকে বশ্বিকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাজপথরে জবানতিে পৃথবিীর চলমানতা বা বহমানতাই তুলে ধরছেনে। রাজপথরে ওপর দয়িে ঘটে যাওয়া অজস্র ঘটনা বহমান মানবজীবনরে কথাই মনে করয়িে দয়ে। তার ওপর দয়িে ঘটে যাওয়া সব কছিুই অবলোকন কর।ে সকল ঘটনার সাক্ষী হসিবেে রাজপথ একই জায়গায় থকেে একই। তাই বলতে পার,ি উদ্দীপকে ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় উল্লখিতি প্রবহমানতার দকি ফুটে উঠছে।ে

ঘ.   ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার মূলভাবে মানবজীবনরে নশ্বরতার বপিরীতে প্রকৃতরি অবনিশ্বর রূপ ফুটে উঠছে।ে উদ্দীপকওে একই ভাব ফুটে উঠছে।ে

     প্রকৃতরি কবি জীবনানন্দ দাশ প্রকৃতরি রূপ-রস-গন্ধ-র্স্পশ গভীরভাবে আস্বাদন করছেনে। নদীর ভাঙা গড়ারমতো সভ্যতা একদকিে ক্ষয়ষ্ণিু হলে অন্যদকিে চলে তার বনির্মিাণ। মানুষ একসময় মরে যায় কন্তিু প্রকৃততিে চলে চরিকালরে প্রবহমানতা। মানুষরে মৃত্যুর ফলে কোনো কছিুই থমেে থাকে না। ফসলরে খতে, নদীনালা, গাছপালা, ফুল, পাখি সবকছিুতইে থাকে জীবনরে স্পন্দন। মৃত্যুর রশে থাকে না কোথাও।

     জীবনরে গতমিয়তা ও প্রবহমানতা উদ্দীপকওে যর্থাথভাবে প্রতফিলতি হয়ছে।ে জীবনরে হাস-িকান্না, সুখ-দুখ, জরা-যৌবন, জন্ম-মৃত্যু সবকছিুই রাজপথরে ওপর দয়িে সংঘটতি হচ্ছ।ে সবকছিুরই শুরু ও শষে রয়ছে।ে কন্তিু রাজপথটি একই জায়গায় স্থরি পড়ে আছ।ে উদ্দীপকরে রাজপথ জীবনরে গতমিয়তা তার জবানতিে তুলে ধরছে।ে ‘সইে এই মাঠ’ কবতিার র্বণনার মতোই মানব জীবন একসময় থমকে যায়। কন্তিু রাজপথ র্অথাৎ, প্রকৃতি থাকে চলমান।

     উদ্দীপক ও ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার বশ্লিষেণে আমরা জীবনরে এক গভীর অনুধাবন কর।ি আর তা হলো মানবজীবন ক্ষণস্থায়ী হলওে প্রকৃতি চরিকালীন। প্রকৃতরি রূপ-রস-গন্ধ অফুরন্ত। তা চরিকালই মানুষরে মনকে মুগ্ধ করে যাব।ে উদ্দীপক ও কবতিার রচয়িতাগণ প্রকৃতরি চরিভাস্বর সৌর্ন্দযরে সইে বোধকইে নজিনজি রচনার উপজীব্য করছেনে। কাজইে এ কথা নশ্চিতিভাবইে বলা যায়, আলোচ্য উদ্দীপকটি ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার র্পূণ প্রতরিূপ।

৩.  বাতাসরে মাঝে বাস করে আমরা যমেন ভুলে যাই বাতাসরে কথা। প্রকৃতরি মাঝে বাস করওে আমরা ভুলে যাই প্রকৃতরি কথা। অথচ সুজলা, সুফলা, শস্যশ্যামলা প্রকৃতি অকৃপণভাবে তার সৌর্ন্দয বতিরণ করছ।ে নয়নাভরিাম গাছপালা, ফুল-ফল, পাখরি কলরব, বয়ে চলা নদী, ঢউে খলোনো ফসলরে মাঠ জীবনে এনে দয়ে প্রাণরে ছােঁয়া। প্রকৃতরি নয়িমইে প্রতটিি ঋতু আপন বশৈষ্ট্যিে রূপ,ে রস,ে গন্ধে অনন্য হয়ে ওঠ।ে

ক.   লক্ষ্মীপঁেচকরে কণ্ঠে কী ধ্বনতি হয়?    ১

খ.   কবি চলে গলেওে চালতাফুল শশিরিরে জলে ভজিবে কনে? ২

গ.   উদ্দীপকে ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার কোন দকিটি ফুটে উঠছেে ব্যাখ্যা করো।     ৩

ঘ.   উদ্দীপকটি ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার আংশকি প্রতফিলন মাত্র- ব্যাখ্যা করো।     ৪

৩ নং প্র. উ.

ক.   লক্ষ্মীপঁেচকরে কণ্ঠে মঙ্গলর্বাতা ধ্বনতি হয়।

খ.   পৃথবিীতে মানুষরে অবস্থানকাল ক্ষণস্থায়ী হলওে প্রকৃতি চরিবহমান বলইে কবি না থাকলওে চালতাফুল শশিরিরে জলে ভজিব।ে

     ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় প্রকৃতরি নানা অনুষঙ্গরে মাধ্যমে কবি জীবনানন্দ দাশরে সৌর্ন্দয চতেনার বহঃিপ্রকাশ ঘটছে।ে মরণশীল বলে কবকিে একদনি এই পৃথবিীর মায়া ত্যাগ করতে হব।ে ফলে শশিরিে ভজো চালতাফুলে সৃষ্টি হওয়া সৌর্ন্দয অবলোকন করার সুযোগ তাঁর আর ঘটবে না। কন্তিু চালতাফুল একইভাবে ফুটব।ে আগরে মতোই ভোররে শশিরিে গা ভজোব।ে আর তা জীবতি কোনো মানুষরে সৌর্ন্দযবোধকে ঠকিই পরতিৃপ্ত করব।ে

গ.   ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় উল্লখিতি প্রকৃতরি শাশ্বতরূপটি উদ্দীপকে ফুটে উঠছে।ে

     প্রকৃতরি কবি জীবনানন্দ দাশ ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার প্রকৃতরি অফুরন্ত ঐর্শ্বয নপিুণভাবে তুলে ধরছেনে। প্রকৃতরি কোনো কছিুই যনে তাঁর দৃষ্টি এড়ায়ন।ি শশিরিরে জলে চালতাফুল ভজিে কি রহস্যময় সৌর্ন্দয সৃষ্টি কর,ে খয়ো নৌকা, লক্ষ্মীপঁেচার গান প্রকৃততিে যে  ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করে তা লক্ষ করছেনে গভীরভাব।ে প্রকৃতি তার আপন রূপ-রস-গন্ধ নয়িে এভাবইে চরিকাল ভাস্বর হয়ে আছ।ে

     উদ্দীপকওে ফুটে উঠছেে প্রকৃতরি রূপবচৈত্র্যি। প্রকৃতরি দকিে তাকালে চোখ জুড়য়িে যায়। ঢউে খলোনো ফসলরে মাঠ,, গাছপালা, ফল, ফুল, পালতোলা নৌকা, পাখরি কলরব এগুলো সবার মন জুড়য়িে দয়ে। এই প্রকৃতি আমাদরে জীবনকে করছেে বচৈত্র্যিময়। ঋতুবচৈত্র্যি আমাদরে জীবনে এনে দয়ে প্রাণচাঞ্চল্য। তাই উদ্দীপক ও ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিা র্পযালোচনা করে বলা যায়, উভয় ক্ষত্রেইে প্রকৃতরি, আবহমান রূপটি ফুটে উঠছে।ে

ঘ.   ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় প্রকৃতরি অবনিশ্বর রূপ তুলে ধরার পাশাপাশি কবি মানবজীবনরে এক চরম সত্য-মৃত্যুর কথাও বলছেনে। কন্তিু উদ্দীপকরে দ্বতিীয় দকিটি অনুপস্থতি।

     ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিা কবি জীবনানন্দ দাশরে এক অনবদ্য সৃষ্ট।ি প্রকৃতকিে কবি হৃদয় দয়িে উপলব্ধি করছেনে। প্রকৃতি তার রূপ সৌর্ন্দয নয়িে বঁেচে থাক।ে কবি এও ভবেছেনে যে তনিি চলে গলেে কী হব?ে তনিি  জাননে তনিি বদিায় নলিওে চালতাফুলরে ওপর শশিরি জল ঠকিই সৌর্ন্দয ছড়াব।ে পাখি গাইব।ে নদীতে নৌকা ছুটে চলব,ে পাখি তার গন্তব্যে ফরিে যাব।ে

     উদ্দীপকে ফুটে উঠছেে কবেল প্রকৃতরি রূপ সৌর্ন্দয। প্রকৃতি কীভাবে আমাদরে মাঝে তার সৌর্ন্দয বলিায় তার চত্রি। গাছপালা, ফুল-ফল, নদী, পাখ,ি সবকছিুর সৌর্ন্দয আমরা মুগ্ধ দৃষ্টতিে দখে।ি সত্যইি প্রকৃতরি মাঝে বাস করে আমরা প্রকৃতকিে যনে ভুলওে যাই।

     ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় কবি বলছেনে মানুষরে মৃত্যু পৃথবিীর বহমানতাকে স্তব্ধ করতে পারে না। প্রকৃতি তার আপন গততিইে চলমান থাকব।ে র্অথাৎ ব্যক্তমিানুষরে মৃত্যু থাকলওে প্রকৃতরি সৌর্ন্দয মৃত্যুহীন। এই র্দাশনকি সত্যরে উল্লখে উদ্দীপকে নইে। উদ্দীপকে বলা হয়ছে,ে কবেল প্রকৃতরি সৌর্ন্দযরে কথা। আলোচ্য কবতিায় কবি কবতিায় যে নর্সিগরে রূপ তুলে ধরছেনে সটেকিইে শুধু উদ্দীপকটি মনে করয়িে দয়ে।  তাই উদ্দীপকটি ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার আংশকি প্রতফিলন মাত্র।

৪.   আবার আসবি ফরিে ধানসঁিড়টিরি তীরÑে এই বাংলায়

     হয়তো মানুষ নয়Ñ হয়তো বা শঙ্খচলি শালকিরে বশে;ে

     হয়তো ভোররে কাক হয়ে এই র্কাতকিরে নবান্নরে দশেে

     কুয়াশার বুকে ভসেে একদনি আসবি এ কাঁঠাল ছায়ায়

ক.   ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় কী ছাই হয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়ছে?ে  ১

খ.   ব্যক্তমিানুষরে মৃত্যু ঘটলওে সব শষে হয়ে যায় না কনে?    ২

গ.   ‘সইে দনি এই মাঠ’ কবতিার কোন দকিটি উদ্দীপক কবতিাংশে লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।    ৩

ঘ.   উদ্দীপকটি ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার মূলভাবকে ধারণ করছেে ক?ি বশ্লিষেণী মতামত দাও।    ৪

৪ নং প্র. উ.

ক.   ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় ববেলিন ছাই হয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়ছে।ে

খ.   মানুষরে মৃত্যু ঘটলওে পৃথবিীর বহমানতা বজায় থাকে বলে ব্যক্তি মানুষরে মৃত্যুতে সব শষে হয়ে যায় না।

     মানুষ মরণশীল বলে একসময় তাকে মৃত্যুবরণ করতে হয়। কন্তিু প্রকৃততিে থাকে চরিকালীন ব্যস্ততা। নদীর স্রোতধারা বহমান থাক,ে মাঠে থাকে চঞ্চলতা, চালতাফুলে জমে শীতরে শশিরি। ব্যক্তমিানুষরে মৃত্যুর রশে কোথাও লগেে থাকে না। সবকছিু আপন গততিইে চল।ে মানুষরে মৃত্যু আছে কন্তিু জগতরে সৌর্ন্দযরে মৃত্যু নইে, মানুষরে স্বপ্নরেও মরণ নইে। এ কারণইে ব্যক্তমিানুষরে মৃত্যুতে সব শষে হয়ে যায় না।

গ.   ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় উল্লখিতি প্রকৃতরি চলমানতার দকিটি উদ্দীপকে প্রকাশতি হয়ছে।ে

     পৃথবিীর রূপ-রস-গন্ধ-র্স্পশে লালতি মানুষকে একদনি পৃথবিীর মায়া ছড়েে চলে যতেে হয়। কন্তিু পৃথবিী চরি প্রবহমান। মাঠে ঘাটে থাকে চরিকালীন ব্যস্ততা। চালতা ফুলে আগরে মতোই পড়ে শীতরে শশিরি। লক্ষ্মীঁপেচার কণ্ঠে ধ্বনতি হয় মঙ্গলর্বাতা। নদ-নদীতে চলে খয়ো নৌকা। মৃত্যুর রশে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না। তাই মানুষরে মৃত্যু আছে কন্তিু প্রকৃতরি সৌর্ন্দযরে কোনো মৃত্যু নইে। জীবনানন্দ দাশ সইেদনি এই মাঠ কবতিায় এই বাস্তবতাকইে তুলে ধরছেনে।

     উদ্দীপক কবতিাংশে আমরা লক্ষ করি কবি মৃত্যুর পরও এই বাংলায় ফরিতে চান। বাংলার প্রকৃতরি সাথে একাত্ম হতে চান। তনিি পৃথবিীতে না থাকলওে বাংলার প্রকৃতরি ঐর্শ্বয অটুট থাকব।ে কবি এ কথা জাননে বলইে প্রকৃতরি মাঝে আশ্রয় খুঁজছনে। ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় ও প্রকৃতরি কবি জীবনানন্দ দাস একইভাবে এই চলমান পৃথবিীর চত্রি তাঁর কবতিায় অঙ্কন করছেনে।

ঘ.   ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় মূলত প্রকাশতি হয়ছেে প্রকৃতরি প্রবহমানতার দকি আর উদ্দীপকরে মূলভাব হলো স্বদশেপ্রমে। তাই উদ্দীপকটি ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার মূলভাবকে ধারণ করে না।

     ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় কবি বলছেনে, তনিি পৃথবিী ছড়েে চলে গলেওে এই নদী মাঠ স্তব্ধ হবে না বা থমেে যাবে না। আগরে মতোই চালতাফুল ভজিবে শশিরিরে জল,ে লক্ষ্মীপঁেচা গান গাব।ে পৃথবিীতে চলবে তার কলরব। নদ-নদীতে চলবে খয়োনৌকা। এরই মাঝে বঁেচে থাকবে পৃথবিীর গল্প। এশরিীয়া আর ববেলিনীয় সভ্যতা ধ্বংসপ্রাপ্ত হলে সখোনে নতুন সভ্যতার যাত্রা শুরু হয়ছে।ে ব্যক্তমিানবরে মৃত্যুতে প্রবহমানতার দকি থকেে কোনো শূন্যতা সৃষ্টি হয়ন।ি

     উদ্দীপক,ে কবি তাঁরা মাটরি মমতায় জড়য়িে আছনে। বাংলার রূপে মুগ্ধ কবি চান না এই সৌর্ন্দযরে লীলাভূমি ছড়েে চলে যতে।ে যদি ছড়েে যানও তবে শঙ্খচলি শালকিরে রূপ ধরে আবার তনিি ফরিে আসবনে বলে আকাক্সক্ষা ব্যক্ত করছেনে। কবি র্কাতকিরে নবান্নরে দশেে ভোররে কাক হয়ে আসতে চান। কবি এই বাংলাক,ে বাংলার প্রকৃতকিে অন্তর দয়িে ভালোবাসনে। তাই বারবার এই মাটতিইে ফরিে আসতে চান। উদ্দীপকে কবরি এই দশেপ্রমেরে মনোভাব ফুটে উঠছে।ে

     ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার মূলভাব হচ্ছে পৃথবিীর প্রবহমানতা কংিবা চলমানতা, যা কবতিার প্রতটিি চরণে প্রকাশতি। জন্ম-মৃত্যু চরিন্তন। মানুষ একসময় মারা যায়। কারো জীবন থমেে গলেওে পৃথবিীর মধ্যকার প্রাণচাঞ্চল্য টকিে থাক।ে প্রকৃতি তার রূপ বদলালওে তার মাঝে জীবনরে আনন্দ সবসময় প্রত্যক্ষ করা যায়। অন্যদকিে উদ্দীপকে প্রকাশতি হয়ছেে মূলত কবরি দশেপ্রমে। তার চরিপরচিতি পরবিশেে তনিি মৃত্যুর পরও ফরিে আসতে চান। ফরিে এসে এই বাংলার অপরূপ সৌর্ন্দয ভোগ করতে চান। তাই ভাববস্তুর বচিারে ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার মূলভাব উদ্দীপক ধারণ করে না।

৪.   শলিাইদহে পদ্মার উচ্ছল কল্লোল শুনে মনটা উদ্যমী হয়ে গলে। এই সইে পদ্মা যার মোহন রূপে তরৈি হয়ছেলি সৃষ্টরি মায়াজাল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর গীতাঞ্জলি কাব্যরে অধকিাংশ কবতিা রচনা করছেলিনে পদ্মার বুক।ে পদ্মার অর্পূব সান্নধ্যি, তার বস্তিৃত কল্লোল কবমিনকে জাগয়িে তুলছেলি। আর প্রকৃতরি এইঅর্পূব সান্নধ্যিইে কবি সৃষ্টি করছেনে তার অর্পূব কবতিাবল।ি

ক.   লক্ষ্মীপঁেচা কার জন্য গান গাইব?ে    ১

খ.   ‘আমি চলে যাব বল’ে বলতে কবি কী বোঝাতে চয়েছেনে? ২

গ.   উদ্দীপকে ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার কোন দকিটি প্রতফিলতি হয়ছে?ে ব্যাখ্যা করো। ৩

ঘ.   ‘উদ্দীপকে র্বণতি পদ্মার অর্পূব সৌর্ন্দয কবকিে দয়িছেনে। কাব্য রচনার অনুপ্ররেণা।’ উক্তটিি ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার আলোকে মূল্যায়ন করো।  ৪

৪ নং প্র. উ.

ক.   লক্ষ্মীপঁেচা তার লক্ষ্মীটরি জন্য গান গাইব।ে

খ.   ‘আমি চলে যাব বল’ে বলতে পৃথবিী ছড়েে চলে যাওয়ার কথা বোঝানো হয়ছে।ে

     পৃথবিীতে কউেই চরিস্থায়ী নয়। প্রত্যকে মানুষকইে একসময় পৃথবিী ছড়েে চলে যতেে হয়। তবে কবি জাননে যে তনিি একা পৃথবিী ছড়েে চলে গলেওে প্রকৃতরি বহমানতা শষে হবে না। শুধু তাই নয়, পৃথবিীর সবকছিুই চলমান থাকব।ে বষিয়টি বোঝাতে কবি আলোচ্য উক্তটিি করছেনে।

গ.   উদ্দীপকে ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় উল্লখিতি প্রকৃতরি বহমানতার দকিটি প্রতফিলতি হয়ছে।ে

     ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় জীবনানন্দদাশ জীবনরে এক নগিূঢ় সত্য উন্মোচন করছেনে। কবি গভীরভাবে ভবেছেনে তনিি এ পৃথবিী ছড়েে একদনি চলে যাবনে। কন্তিু তাতে প্রকৃতরি চলমানতা থামবে না। তাই তনিি প্রশ্ন করছেনে, তনিি চলে গলেে চালতাফুল কি আর আগরে মতো বৃষ্টরি জলে ভজিবে না? লক্ষ্মীপঁেচা কি গান গাইবে না? তনিি জাননে সবকছিুই চলমান থাকব।ে র্অথাৎ ব্যক্তমিানুষরে মৃত্যুতে পৃথবিীর কোনো কছিু থমেে যায় না।

     উদ্দীপকে বলা হয়ছে,ে পদ্মার রূপসৌর্ন্দয আর প্রবহমানতায় রবীন্দ্রনাথ মুগ্ধ হয়ছেলিনে। নদীর কল্লোল ধ্বনি কবরি মনকে জাগয়িে তুলছেলি। কবি এখন আর র্বতমানে নইে। তাই বলে পদ্মার বহমানতা থমেে যায়ন।ি পদ্মা এখনও তার বুকে অসীম জলরাশি নয়িে বয়ে চলছে।ে উদ্দীপকরে পদ্মা নদীর কল্লোল ধ্বনতিে বহমানতা ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার উল্লখিতি প্রকৃতরি বহমানতার সাথে সাদৃশ্যর্পূণ।

ঘ.   ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার কবি জীবনানন্দ দাশ প্রকৃতরি সৌর্ন্দয ও রূপে মুগ্ধ হয়ে সাহত্যি রচনা করছেনে। একইভাবে পদ্মা নদীর অর্পূব সৌর্ন্দয রবীন্দ্রনাথকে দয়িছেলি কাব্য রচনার অনুপ্ররেণা।

     জীবনানন্দ দাশ ছলিনে প্রকৃতরি কব।ি প্রাকৃতকি সৌর্ন্দযটাকে তনিি মন ভরে উপভোগ করছেলিনে। ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় আমরা লক্ষ কর,ি তনিি শশিরিরে জলে চালতাফুলরে ভজো দখেছেনে। লক্ষ্মীপঁেচার গান শুনছেনে, চররে অদূরে খয়ো নৌকা। সবই তার দৃষ্টনিন্দন মনে হয়ছে।ে প্রকৃতরি এই নবিড়িতার মাঝে ডুব দয়িে কবি সংগ্রহ করছেনে তাঁর কবতিার নর্যিাস।

     উদ্দীপকরে র্বণনায় আমরা দখে,ি শলিাইদহরে উচ্ছল পদ্মা কবি রবীন্দ্রনাথরে মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্যরে সৃষ্টি করছেলি। পদ্মার কল্লোল ধ্বনতিে তনিি যনে নতুন করে গয়েে উঠছেলিনে। প্রকৃতরি এই মোহনীয় রূপ কবকিে কাব্য রচনায় অনুপ্ররেণা দয়িছেলি। সে অনুপ্ররেণাতইে তনিি গীতাঞ্জলরি অধকিাংশ কবতিা লখিছেলিনে এই পদ্মার পাড়ইে। প্রকৃতরি অর্পূব সান্নধ্যিই কবরি মনে ব্যাপক রসবোধ সৃষ্টি করছেলি। কাব্য রচনার জন্য কবি তাই বারবার প্রকৃতরি মাঝে ছুটে এসছেনে।

     ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় জীবনানন্দ দাশকে দখেি আকণ্ঠ নয়িোজতি হয়ে প্রকৃতরি সৌর্ন্দযরে অবগাহন করত।ে শশিরিরে জলে চালতাফুেেলর সৌর্ন্দয কীভাবে মোহনীয় হয়ে ওঠে তা এই কবরি পক্ষইে পুরোপুরি বোঝা সম্ভব। অন্যদকিে পদ্মা নদীর সৌর্ন্দয আর বশিালতা রবীন্দ্রনাথকে আচ্ছন্ন করছেলিে একই সৌর্ন্দয চতেনায়। তাই তনিি পদ্মা নদীর সাথে এক ধরনরে সখ্য গড়ে তুলছেলিনে। পদ্মা তাঁর কাব্য সাধনায় প্রধান উপজীব্য হয়ে উঠছেলি। প্রকৃতি উভয় কবরি মনইে সৌর্ন্দযপপিাসা নবিারণ করছে।ে সইে তৃপ্তি তাঁরা প্রকাশ করছেনে সাহত্যি রচনার মধ্য দয়ি।ে

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

১.   জীবনানন্দ দাশ প্রধানত কোন জীবনচতেনার কবি হসিবেে পরচিতি?

     উত্তর : জীবনানন্দ দাশ প্রধানত আধুনকি জীবনচতেনার কবি হসিবেে পরচিতি।

২.   জীবনানন্দ দাশ কী র্দুঘটনায় আহত হয়ে মৃত্যুবরণ করনে?

     উত্তর : জীবনানন্দ দাশ ট্রাম র্দুঘটনায় আহত হয়ে মৃত্যুবরণ করনে।

৩.  জীবনানন্দ দাশ কত সালে জন্মগ্রহণ করনে?

     উত্তর : জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করনে।

৪.   সইে দনি কী স্তব্ধ হবে না বলে কবি জাননে?

     উত্তর : সইে দনি এই মাঠ স্তব্ধ হবে না বলে কবি জাননে।

৫.  নদী কসিরে তলে স্বপ্ন দখেব?

     উত্তর : নদী নক্ষত্ররে তলে স্বপ্ন দখেব।ে

৬.  লক্ষ্মীপঁেচা কার তরে গান গাইব?

     উত্তর : লক্ষ্মীপঁেচা তার লক্ষ্মীটরি তরে গান গাইব।ে

৭.   খয়ো নৌকাগুলো কোথায় এসে লগেছে?

     উত্তর : খয়ো নৌকাগুলো চররে খুব কাছে এসে লগেছে।ে

৮.  ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় কী ধুলো হয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়ছে?

     উত্তর : ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় এশরিয়িা ধুলো হয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়ছে।ে

৯.  জীবনানন্দ দাশরে কবতিার মৌলকি প্ররেণা কী?

     উত্তর : জীবনানন্দ দাশরে কবতিার মৌলকি প্ররেণা প্রকৃতরি রহস্যময় সৌর্ন্দয।

১০.  কবি না থাকলওে প্রকৃতি তার কী নয়িে মানুষরে স্বপ্ন-সাধ-কল্পনাকে তৃপ্ত করে যাব?

     উত্তর : কবি না থাকলওে প্রকৃতি তার অফুরন্ত ঐর্শ্বয নয়িে মানুষরে স্বপ্ন-সাধ-কল্পনাকে তৃপ্ত করে যাব।ে

১১.  ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় কোন ফুলরে কথা উল্লখে করা হয়ছে?

     উত্তর : ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় চালতা ফুলরে কথা উল্লখে করা হয়ছে।ে

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

১.   সইেদনি এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানÑি চরণটি বুঝয়িে লখেো।

     উত্তর : বচিত্রি বর্বিতনরে মাঝওে প্রকৃতরি রূপ-রস-গন্ধ হারয়িে যাবে না-এ ভাবটইি প্রকাশতি হয়ছেে আলোচ্য চরণ।ে

     জীবনানন্দ দাশ প্রকৃতরি কব।ি প্রকৃতরি সাথে তাঁর রয়ছেে নবিড়ি সখ্য। তনিি জাননে প্রকৃতরি ঐর্শ্বযরে বনিাশ নইে। তনিি হয়তো এ পৃথবিী থকেে একদনি বদিায় নবেনে। কন্তিু প্রকৃতরি অনুষঙ্গগুলো একইভাবে পৃথবিীর শোভা হসিবেে রয়ে যাব।ে প্রকৃতরি এই অবনিাশী সত্তার অনুভূতইি প্রকাশ পয়েছেে উপরউিক্ত চরণটতি।ে

২.   ‘সোনার স্বপ্নরে সাধ পৃথবিীতে কবে আর ঝর’েÑচরণটি বুঝয়িে লখেো।

     উত্তর : মানুষরে দহেরে মৃত্যু ঘটলওে কল্পনা ও স্বপ্নরে মৃত্যু ঘটে নাÑ এই অনুভূতইি প্রকাশতি হয়ছেে চরণটতি।ে

     মানুষ মরণশীল। তাই ব্যক্তমিানুষকে একসময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হয়। কন্তিু পৃথবিীতে থকেে যায় তার স্বপ্ন-সাধ-কল্পনা। সগেুলোর ধারাবাহকিতা জীবতিদরে মাধ্যমে যুগ-যুগান্তরে বয়ে চল।ে প্রকৃতি তার অবনিাশী ঐর্শ্বযরে দ্বারা মানুষরে সইে স্বপ্ন-সাধ-কল্পনাকে তৃপ্ত কর।ে আলোচন্য চরণে এ বষিয়টইি ফুটে উঠছে।ে

৩.  এশরিয়িা ধুলো আজ ববেলিন ছাই হয়ে আছ-ে কবি এ কথা বলছেনে কনে?

     উত্তর : প্রকৃতি ও মানব নর্মিতি সভ্যতার স্থায়ীত্বরে মাঝে র্পাথক্য বোঝাতে কবি জীবনানন্দ দাশ আলোচ্য কথাটি বলছেনে।

     এশরিয়িা ও ববেলিন মানুষরে গড়া দুটি সভ্যতা। কালরে বর্বিতনে এগুলো আজ ধ্বংসস্তূপে পরর্বিততি হয়ছে।ে কন্তিু প্রকৃতরি ঐর্শ্বয অফুরন্ত। যুগ-যুগান্তর ধরে এর প্রাণ চঞ্চলতা বহমান আছে এবং অনন্তকাল এমনই থাকব।ে আলোচ্য চরণে এ বষিয়টইি বোঝাতে চয়েছেনে কব।ি

৪.   লক্ষ্মীপঁেচা গান গাবে নাকি তার লক্ষ্মীটরি তর?Ñ চরণটি ব্যাখ্যা করো।

     উত্তর : প্রকৃততিে মায়া-মমতা, স্নহে ভালোবাসার ধারা অনন্তকাল ধরে বহমান থাকবÑে আলোচ্য চরণে এই বষিয়টইি প্রকাশতি হয়ছে।ে

     ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় বলা হয়ছে,ে মানুষরে মৃত্যু ঘটলওে প্রকৃতরি চরিবহমানতায় কোনো ছন্দপতন হয় না। এক্ষত্রেে জীবনানন্দ দাশ প্রকৃতরি নানা চত্রিরে র্বণনা দয়িছেনে। লক্ষ্মীপঁেচার মমত্বরে অনুভাবনাও তনিি তুলে ধরছেনে অসাধারণ এক তাৎর্পয।ে লক্ষ্মীপঁেচা এখানে প্রকৃতরিই এক প্রতনিধি।ি ব্যক্তমিানুষরে অস্তত্বি হারয়িে যায়। কন্তিু প্রকৃতরি নয়িমে লক্ষ্মীপঁেচার কণ্ঠে চরিকাল ধ্বনতি হবে মঙ্গলর্বাতা।

বহুনর্বিাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

সাধারণ বহুনর্বিাচনি

১.   ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার কবি ক?ে  জ

     ক   সত্যন্দ্রেনাথ দত্ত  খ    জসীমউদ্দীন

     গ   জীবনানন্দ দাশ  ঘ    ফররুখ আহমদ

২.   জীবনানন্দ দাশরে জন্ম কত সাল?ে    ঝ

     ক   ১৮৮০ সালে    খ    ১৮৮৯ সালে

     গ   ১৮৯০ সালে     ঘ    ১৮৯৯ সালে

৩.   জীবনানন্দ দাশরে জন্মস্থান কোনট?ি   জ

     ক   কলকাতা  খ    খুলনা

     গ   বরশিাল   ঘ    মালদহ

৪.   জীবনানন্দ দাশরে বাবার নাম কী?  ছ

     ক   আনন্দ দাশ খ    সত্যানন্দ দাশ

     গ   ববিকোনন্দ দাশ  ঘ    জ্ঞানানন্দ দাশ

৫.   জীবনানন্দ দাশরে মায়রে নাম কী? ছ

     ক   কামনিী দাশ     খ    কুসুমকুমারী দাশ

     গ   বঙ্কাবতী দাশ    ঘ    করিণমালা দাশ

৬.   জীবনানন্দ দাশরে মা কোনটি ছলিনে?    জ

     ক   অভনিত্রেী  খ    ঔপন্যাসকিা

     গ   স্বভাব কবি ঘ    সংগীতশল্পিী

৭.   জীবনানন্দ দাশ নচিরে কোন স্কুলে শক্ষিালাভ করনে? ছ

     ক   গোদানাইল হাইস্কুল    খ    ব্রজমোহন স্কুল

     গ   দররিামপুর হাইস্কুল    ঘ    ঢাকা কলজেয়িটে স্কুল

৮.   জীবনানন্দ দাশ কোন কলজে থকেে শক্ষিালাভ করনে?   চ

     ক   ব্রজমোহন কলজে    খ    জগন্নাথ কলজে

     গ   হন্দিু কলজে    ঘ    রপিন কলজে

৯.   জীবনানন্দ দাশ কলকাতার কোন কলজেে পড়াশোনা করনে?   জ

     ক   রপিন কলজে

     খ    র্ফোট উইলয়িাম কলজে

     গ   প্রসেডিন্সেি কলজে

     ঘ    হন্দিু কলজে

১০.  জীবনানন্দ দাশ কত সালে এম.এ ডগ্রিি লাভ করনে?      ঝ

     ক   ১৯১৮ সালে খ    ১৯১৯ সালে

     গ   ১৯২০ সালে ঘ    ১৯২১ সালে

১১.  জীবনানন্দ দাশ কোন বশ্বিবদ্যিালয় থকেে এম.এ ডগ্রিি লাভ করনে? জ

     ক   ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয় খ    চট্টগ্রাম বশ্বিবদ্যিালয়

     গ   কলকাতা বশ্বিবদ্যিালয়

     ঘ    রবীন্দ্রভারতী বশ্বিবদ্যিালয়

১২.  জীবনানন্দ দাশ কোন বষিয়ে এম.এ ডগ্রিি লাভ করনে?   ছ

     ক   বাংলা খ    ইংরজেি

     গ   র্দশন ঘ    ভাষাতত্ত্ব

১৩.  এম.এ ডগ্রিি লাভরে পর জীবনানন্দ দাশ কোন পশোয় নয়িোজতি ছলিনে?  ছ

     ক   সাংবাদকিতা খ    অধ্যাপনা

     গ   সরকারি চাকরি  ঘ    আইন

১৪.  জীবনানন্দ দাশ প্রধানত কী হসিবেে পরচিতি? জ

     ক   প্রাচীন মতার্দশরে কবি খ    পাশ্চাত্য ভাবধারার কবি

     গ   আধুনকি জীবনচতেনার কবি

     ঘ    র্ধমীয় ভাবার্দশরে কবি

১৫.  কবি জীবনানন্দ দাশ কসিে নমিগ্নচত্তি ছলিনে? ছ

     ক   বাংলার মানুষরে জীবনযাত্রা প্রত্যক্ষকরণে

     খ    বাংলার প্রকৃতরি রূপ প্রত্যক্ষকরণে

     গ   নাটক রচনায়    ঘ    মহাকাব্য রচনায়

১৬.  কবি জীবনানন্দ দাশরে দৃষ্টতিে কোনটি অনন্য রূপসী?    ঝ

     ক   সমস্ত পৃথবিী    খ    কলকাতার প্রকৃতি

     গ   দগিন্তবস্তিৃত মাঠ ঘ    বাংলার প্রকৃতি

১৭.  কোনটি জীবনানন্দ দাশ রচতি উল্লখেযোগ্য গ্রন্থ?     জ

     ক   শীত বকিলে খ    পাখরি বাসা

     গ   মহাপৃথবিী

     ঘ    বাংলার মাটি বাংলার জল

১৮.  কোনটি জীবনানন্দ দাশ রচতি কাব্যগ্রন্থ? চ

     ক   সাতটি তারার তমিরি   খ    আনন্দরে মৃত্যু

     গ   পঞ্চাশ সহস্রর্বষ  ঘ    ধূলি ও সাগর দৃশ্য

১৯.  জীবনানন্দ দাশ কী র্দুঘটনায় পততি হয়ে মৃত্যুবরণ করনে? জ

     ক   বমিান র্দুঘটনা   খ    নৌ র্দুঘটনা

     গ   ট্রাম র্দুঘটনা ঘ    বাস র্দুঘটনা

২০.  জীবনানন্দ দাশ কত সালে ট্রাম র্দুঘটনায় পততি হন? ঝ

     ক   ১৯২১ সালে খ    ১৯৩৪ সালে

     গ   ১৯৫০ সালে     ঘ    ১৯৫৪ সালে

২১.  জীবনানন্দ দাশ কোন তারখিে মৃত্যুবরণ করনে?     জ

     ক   ১৪ই অক্টোবর ১৯৫৪  খ    ১৪ই আগস্ট ১৯৫৪

     গ   ২২ শে অক্টোবর ১৯৫৪ ঘ    ২২শে আগস্ট ১৯৫৪

২২.  কোনটি স্তব্ধ হবে না বলে কবরি জানা আছ?ে চ

     ক   এই মাঠ   খ    এই স্বপ্ন

     গ   এই গান   ঘ    এই সাধ

২৩.  ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় নক্ষত্ররে তলে কোনটরি স্বপ্ন দখোর কথা বলা হয়ছে?ে   ছ

     ক   সমুদ্ররে   খ    নদীর

     গ   মাঠরে     ঘ    পাহাড়রে

২৪.  জীবনানন্দ দাশরে মতে কখনোই কোনটি ঝরে পড়ে না?   জ

     ক   চালতাফুল  খ    ভজিে গন্ধ

     গ   সোনার স্বপ্নরে সাধ    ঘ    নক্ষত্ররে বাতি

২৫.  ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় শশিরিরে জলে কোনটি ভজোর কথা উল্লখে রয়ছে?ে     জ

     ক   কদমফুল  খ    বকুলফুল

     গ   চলতা ফুল ঘ    ঝঙিফেুল

২৬. লক্ষ্মীপঁেচা কার তরে গান করব?ে    ছ

     ক   মানুষরে তরে    খ    সঙ্গীনরি তরে

     গ   বঙ্গজ জনরে তরে    ঘ    পল্লজিননীর তরে

২৭.  ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় কমেন বাতরি কথা বলা হয়ছে?ে   চ

     ক   শান্ত বাতি  খ    অত্যুজ্জ্বল বাতি

     গ   ন®িপ্রভ বাতি   ঘ    অসহ্য বাতি

২৮.  খয়োনৌকাগুলো কোথায় এসে লগেছে?ে ছ

     ক   ঘাটরে কাছে    খ    চররে কাছে

     গ   নদীর মোহনায়   ঘ    সমুদ্রসকৈতে

২৯.  ‘সইেদনি এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জান’িÑ এখানে কোন ভাবটি প্রকাশতি হয়ছে?ে   চ

     ক   প্রকৃতরি স্থায়ত্বি  খ    প্রাণরে অমরত্ব

     গ   প্রকৃতরি নশ্বরতা ঘ    প্রাণরে ক্ষণস্থায়ত্বি

৩০.  ‘ববেলিন ছাই হয়ে আছ’েÑ কথাটরি মাধ্যমে কী বোঝানো হয়ছে?ে   চ

     ক   মানুষরে গড়া সভ্যতা ধ্বংস হয়ে গছেে

     খ    প্রকৃতরি কাছে মানুষ অসহায়

     গ   মানুষ চাইলে সবই সম্ভব

     ঘ    প্রকৃতি ক্ষণস্থায়ী হলওে জীবন অনন্ত

৩১.  সইে দনি এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকোÑ কনে?     ছ

     ক   মানুষ বাঁচয়িে রাখবে বলে

     খ    প্রকৃতরি ঐর্শ্বয টকিে থাকবে বলে

     গ   মানুষরে গড়া বলে

     ঘ    পরবিশে দূষণ বন্ধ হবে বলে

৩২.  ‘পৃথবিীতে কউেই চরিস্থায়ী নয়’Ñ এ ভাবটি কোন চরণে নহিতি আছ?ে জ

     ক   সদেনিো দখেবিে স্বপ্ন  খ    এশরিয়িা ধুলো আজ

     গ   আমি চলে যাব বলে   ঘ    চারদিকিে শান্ত বাতি

৩৩.  কোনটরি ধারাবাহকিতা অনন্তকালব্যাপী বস্তিৃত নয়? ছ

     ক   চালতাফুলরে শশিরিে ভজো

     খ    ববেলিনরে প্রাণস্পন্দন

     গ   সোনার স্বপ্নরে সাধ

     ঘ    সঙ্গনিীর তরে লক্ষ্মীপঁেচার গান

৩৪.  জীবনানন্দ দাশকে কোনটি বলা হয়?     ছ

     ক   গণমানুষরে কবি খ    প্রকৃতরি কবি

     গ   সাম্যবাদরে কবি  ঘ    স্বভাব কবি

৩৫.  কোনটি জীবনানন্দ দাশরে কাব্য রচনার মৌলকি প্ররেণা?   জ

     ক   পাশ্চাত্যরে জীবনযাপন খ    নাগরকি জীবন

     গ   নর্সিগরে রহস্যময়তা   ঘ    ইতহিাস ও ঐতহ্যি

৩৬. ‘পৃথবিীর এইসব গল্প বঁেচে র’বে চরিকাল’Ñ চরণটতিে কী প্রকাশ পয়েছে?ে জ

     ক   প্রকৃতরি রহস্যময়তা   খ    প্রকৃতরি স্নগ্ধিতা

     গ   প্রকৃতরি শাশ্বত রূপ   ঘ    প্রকৃতরি রুদ্ররূপ

৩৭.  ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় লক্ষ্মীটরি তরে লক্ষ্মীপঁেচার কী করার কথা উল্লখে আছ?ে   ছ

     ক   নাচার কথা খ    গান গাওয়ার কথা

     গ   খাবার সংগ্রহরে কথা   ঘ    জীবন দওেয়ার কথা

৩৮. ‘লক্ষ্মীপঁেচা গান গাবে নাকি তার লক্ষ্মীটরি তর’েÑ পঙ্ক্তটিতিে কসিরে প্রকাশ ঘটছে?ে ছ

     ক   প্রাণজিগতরে ভাব-ভালোবাসা

     খ    প্রকৃতরি সৌর্ন্দযরে বহমানতা

     গ   অবোধ প্রাণীদরে অনুভূতি

     ঘ    তীব্র র্মত্যপ্রীতি

৩৯.  ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় পৃথবিীতে কী চরিকাল বঁেচে থাকার কথা বলা হয়ছে?ে   ছ

     ক   নৃত্য খ    গল্প

     গ   সংগীত    ঘ    নাটক

৪০.  ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় ‘এইসব গল্প’ বলতে কী বোঝানো হয়ছে?ে চ

     ক   প্রকৃতরি রূপ-রস-গন্ধ  খ    কবরি সমস্ত সৃষ্টর্কিম

     গ   লক্ষ্মীপঁেচার কথামালা ঘ    মানবসৃষ্ট সভ্যতাসমূহ

৪১.  ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় কসিরে প্রতি কবরি অনুরাগ লক্ষ করা যায়? জ

     ক   স্বদশেরে প্রতি   খ    মাতৃভাষার প্রতি

     গ   প্রকৃতরি প্রতি    ঘ    অমরত্ব লাভরে প্রতি

৪২.  লক্ষ্মীপঁেচার কণ্ঠে কী ধ্বনতি হয়? ছ

     ক   অশুভ সংকতে  খ    মঙ্গলর্বাতা

     গ   নতুন দনিরে সূচনা    ঘ    দনি শষেরে সংকতে

৪৩.  কোনটরি মৃত্যু আছ?ে ছ

     ক   মানুষরে স্বপ্নরে   খ    মানুষরে দহেরে

     গ   জগতরে সৌর্ন্দযরে    ঘ    প্রকৃতরি ঐর্শ্বযরে

৪৪.  ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় র্বণতি চারদিকিে অনুভূতি গন্ধটি কমেন?  ছ

     ক   শুকনো    খ    ভজো

     গ   মষ্টিি ঘ    ঝাঁঝালো

৪৫.  চালতাফুল কি আর ভজিবিে না শশিরিরে জলÑে এখানে কবরি প্রশ্ন কী সর্ম্পকতি? ছ

     ক   প্রকৃতরি সৌর্ন্দয  খ    জগতরে বহমানতা

     গ   সৃষ্টর্কিমরে অমরত্ব    ঘ    মানবমনরে অনুভূতি

৪৬.  এশরিয়িা ও ববেলিন কী?     চ

     ক   মানবনর্মিতি সভ্যতা    খ    বৃহৎ পাহাড়

     গ   প্রকৃতরি অবনিশ্বরতার প্রতীক ঘ    পৃথবিীর দুটি মরেু

বহুপদী সমাপ্তসিূচক

৪৭.  জীবনানন্দ দাশরে কাব্যে লক্ষণীয়Ñ

     র.   আধুনকি জীবনচতেনার বহঃিপ্রকাশ

     রর.  প্রকৃতরি রূপবচৈত্র্যিরে প্রতি অনুরাগ

     ররর. মধ্যবত্তি নাগরকিরে কথকতা

     নচিরে কোনটি সঠকি?              চ

     ক   র ও রর   খ    র ও ররর

     গ   রর ও ররর ঘ    র, রর ও ররর

৪৮.  কবি পৃথবিী ছড়েে চলে গলেওেÑ

     র.   চালতাফুল শশিরিে ভজিবে

     রর.  বাগানে ফুল ফুটবে    ররর. ববেলিন টকিে থাকবে

     নচিরে কোনটি সঠকি?              চ

     ক   র ও রর   খ    র ও ররর

     গ   রর ও ররর ঘ    র, রর ও ররর

৪৯.  এশরিয়িা ও ববেলিনরে মধ্যে মলিÑ

     র.   দুটোই আজও টকিে আছে

     রর.  দুটোই মানবনর্মিতি সভ্যতা   ররর. দুটোই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ছেে

     নচিরে কোনটি সঠকি?              জ

     ক   র ও রর   খ    র ও ররর

     গ   রর ও ররর ঘ    র, রর ও ররর

৫০.  ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় প্রকাশতি হয়ছেÑে

     র.   কবরি সৌর্ন্দয চতেনা

     রর.  কবরি অমরত্ব লাভরে বাসনা

     ররর. প্রকৃতরি শাশ্বতরূপরে উপস্থাপন

     নচিরে কোনটি সঠকি?              ছ

     ক   র ও রর   খ    র ও ররর

     গ   রর ও ররর ঘ    র, রর ও ররর

৫১.  মানব-হৃদয়রে স্বপ্ন-সাধ-কল্পনাÑ

     র.   চরি বহমান

     রর.  প্রকৃতরি ঐর্শ্বযে তৃপ্ত হয়    ররর. চরিস্থায়ী নয়

     নচিরে কোনটি সঠকি?              চ

     ক   র ও রর   খ    র ও ররর

     গ   রর ও ররর ঘ    র, রর ও ররর

৫২.  চালতাফুল কি আর ভজিবিে না শশিরিরে জলÑে পঙ্ক্ততিে প্রকাশ পয়েছেÑে

     র.   প্রকৃতরি শাশ্বত রূপ   রর.  প্রকৃতমিুগ্ধতা

     ররর. কবমিনরে আক্ষপে

     নচিরে কোনটি সঠকি?              চ

     ক   র ও রর   খ    র ও ররর

     গ   রর ও ররর ঘ    র, রর ও ররর

৫৩.  ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিায় প্রকৃতরি ঐর্শ্বযরে মাহাত্ম্যকে কবি উল্লখে করছেনেÑ

     র.   র্দাশনকি দৃষ্টকিোণ থকেে   রর.  গভীর তৃপ্তি নয়িে

     ররর. অত্যন্ত মমত্বরে সাথে

     নচিরে কোনটি সঠকি?              ঝ

     ক   র ও রর   খ    র ও ররর

     গ   রর ও ররর ঘ    র, রর ও ররর

অভিন্ন তথ্যভত্তিকি

নচিরে উদ্দীপকটি পড়ে ৫৪ ও ৫৫ নম্বর প্রশ্নরে উত্তর দাও।

পাহাড়টাকে হাত বুলয়িে লালদঘিরি ঐ পাড়

এগয়িে দখেি জোনাকদিরে বসছেে দরবার।

৫৪.  ‘সইেদনি এই মাঠ’ কবতিার কোন বষিয়টি উদ্দীপকে প্রতফিলতি? চ

     ক   প্রকৃতমিুগ্ধতা    খ    বঁেচে থাকার আনন্দ

     গ   জগতরে বহমানতা    ঘ    সভ্যতার বনির্মিাণ

৫৫.  উক্ত অনুভূতি কবতিার যে চরণে প্রতফিলতিÑ

     র.   আমি চলে যাব বলে

     রর. চালতাফুল কি ভজিবিে না শশিরিরে জলে

     ররর. খয়োনৌকাগুলো এসে লগেছেে চররে খুব কাছে

     নচিরে কোনটি সঠকি?              জ

     ক   র ও রর   খ    র ও ররর

     গ   রর ও ররর ঘ    র, রর ও ররর

নচিরে উদ্দীপকটি পড়ে ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ নম্বর প্রশ্নরে উত্তর দাও।

আবার উঠবিে সুরুজ, পাখরিা উঠবে মতেে গানে কবেল

বদিায়রে শষে রাগনিীখানি বাজবে আমার প্রাণ।ে

৫৬. উদ্দীপক কবতিাংশটি কোন কবতিার ভাবকে সর্মথন কর?ে     ছ

     ক   আমার সন্তান    খ    সইেদনি এই মাঠ

     গ   কপোতাক্ষ নদ   ঘ    আমি কোনো আগন্তুক নই

৫৭.  উক্ত মলিÑ

     র.   মানবজীবনরে ক্ষণস্থায়ত্বি তুলে ধরায়

     রর. প্রকৃতরি চলমানতা তুলে ধরায়

     ররর. গভীর অভমিান তুলে ধরায়

     নচিরে কোনটি সঠকি?              চ

     ক   র ও রর   খ    র ও ররর

     গ   রর ও ররর ঘ    র, রর ও ররর

৫৮. কবতিার যে চরণে উক্ত ভাব প্রকাশতিÑ

     র.   এই নদী নক্ষত্ররে তলে সদেনিো দখেবিে স্বপ্ন

     রর. কন্তিু এ স্নহেরে তৃষ্ণা মটিে কার জলে

     ররর. পৃথবিীর এইসব গল্প বঁেচে রবে চরিকাল

     নচিরে কোনটি সঠকি?              ছ

     ক   র ও রর   খ    র ও ররর

     গ   রর ও ররর ঘ    র, রর ও ররর

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published.